• Call: +8801911385970,+8801886000976
  • Email: jvpforg@gmail.com
About Us
Home About Us
জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন


আমাদের উদ্দেশ্য:
১। দরিদ্র মানুষের মধ্যে যে কোন প্রকার জনহিতকর বা দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনা করা।
২। সকল প্রকার (খাদ্যসহ সকল প্রকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত সামগ্রী) ভেজাল পণ্য উৎপাদন, বিক্রি, বাজারজাতকরণ, পরিবহণ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৩। সরকারের যে কোন ভেজাল বিরোধী কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা।
৪। ভেজাল প্রতিরোধে গণ-সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ লক্ষ্যে সারাদেশে মানব উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা।
৫। অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত মানবগোষ্ঠিকে উন্নত পদ্ধতিতে শিক্ষামূলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা নেওয়া/গ্রহণ করা।
৬। জনসাধারণকে/দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে/মানব সমাজকে উপযোগিতামূলক/তাদের হিতকর কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা।
৭। সকল ভেজালকারীদেরকে ভেজাল পণ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবহিত করা এবং ভেজাল না করার জন্য তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
৮। ফাউন্ডেশন সমাজ হতে আইন অমান্যকারী, ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
৯। সাধারণ মানুষের (অশিক্ষিত/অর্ধশিক্ষিত) মধ্যে পাঠাগার/পাঠকক্ষ প্রতিষ্ঠা করে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার ব্যপারে সচেতন করা।
১০। সমাজে ভেজাল, প্রতারণা, পরিবেশ আইন লঙ্গনকারী ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১১। জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন ইউনিয়ন/থানা/জেলা পর্যায়ে ও বিশেষ অঞ্চলে ফাউন্ডেশনের শাখা বা পর্যবেক্ষন কার্যালয় খুলিতে পারিবে।
১২। জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন সমগ্র বাংলাদেশে ও বিশ্বের যে কোন দেশে ভেজাল বিরোধী সভা, সেমিনার, কর্মশালা, কল্যাণমূলক নিরপেক্ষ তথ্য আদান-প্রদান করিতে পারিবে।
১৩। ধুমপান ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য বর্জন করার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা ও সকল প্রকার মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করার জন্য আইনি সহযোগিতা প্রদান করা। পরিবেশ সচেতন সৃষ্টি করা। ১৪। যদি কেহ কখনও কোন মানুষকে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হয়রানি বা মৃত্যুর হুমকি দিয়ে কোন অপকর্ম বা অনিয়ম জড়ানো হয় অথবা কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফাউন্ডেশন অভিযোগ দায়ের করে, তাহা হলে তাহা প্রচলিত আইনের সহযোগিতাসহ মহামান্য আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবে। 

ভোক্তার অধিকার কি কি?
জাতিসংঘ স্বীকৃত ভোক্তা অধিকার ৮টি। যথা:
১ মৌলিক চাহিদা পুরনের অধিকার (সংবিধানে বিধৃত)
২ তথ্য পাওয়ার অধিকার (তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এ বিধৃত)
৩ নিরাপদ পন্য ও সেবা পাওয়ার অধিকার।
৪ পছন্দের অধিকার।
৫ জানার অধিকার।
৬ অভিযোগ প্রতিকার পাওয়ার অধিকার।
৭ ভোক্তা অধিকার দায়িত্ব সম্পর্কে শিক্ষা লাভের অধিকার।
৮ সুস্থ পরিবেশের অধিকার।
কে অভিযোগকারী হতে পারেন:
১ যে কোন ভোক্তা নিজে।
২ একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এক বা একাধিক ব্যক্তি।
৩ জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষন পরিষদ বা তার পক্ষে অভিযোগ দায়েরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।
৪ সরকার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
৫ পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ী অর্থাৎ তিনি যখন ভোক্তা হিসেবে কোন পণ্য ব্যবহার করবেন।
৮ জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন বা এর পক্ষে অভিযোগ দায়েরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।
ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তা কোথায় ও কিভাবে অভিযোগ দায়ের করবেন?
১ মহাপরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর।
১. কাওরান বাজার (টিসিবি ভবন ৮ম তলা), ঢাকা।
২ প্রত্যেক জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
ফৌজদারী প্রতিকারের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তা তার নিজ জেলায় প্রথম শ্রেণীর একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে বা এ ব্যাপারে নিযুক্ত কোন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন করে প্রতিকার চাইতে পারেন। অভিযোগে তিনি কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ও কী প্রতিকার চান তার সুষ্পষ্ট বিবরন থাকতে হবে।
দেওয়ানী প্রতিকারের ক্ষেত্রে ভোক্তা যুগ্ম জেলা জজের আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
অভিযোগ দায়েরের সময় সীমা:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ঘটনার তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। উক্ত সময় সীমা অতিক্রম করলে অভিযোগটি তামাদি বলে গন্য হবে।

ভোক্তার অধিকার কি কি?
জাতিসংঘ স্বীকৃত ভোক্তা অধিকার ৮টি। যথা:
১ মৌলিক চাহিদা পুরনের অধিকার (সংবিধানে বিধৃত)
২ তথ্য পাওয়ার অধিকার (তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এ বিধৃত)
৩ নিরাপদ পন্য ও সেবা পাওয়ার অধিকার।
৪ পছন্দের অধিকার।
৫ জানার অধিকার।
৬ অভিযোগ প্রতিকার পাওয়ার অধিকার।
৭ ভোক্তা অধিকার দায়িত্ব সম্পর্কে শিক্ষা লাভের অধিকার।
৮ সুস্থ পরিবেশের অধিকার।
কে অভিযোগকারী হতে পারেন:
১ যে কোন ভোক্তা নিজে।
২ একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এক বা একাধিক ব্যক্তি।
৩ জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষন পরিষদ বা তার পক্ষে অভিযোগ দায়েরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।
৪ সরকার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
৫ পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ী অর্থাৎ তিনি যখন ভোক্তা হিসেবে কোন পণ্য ব্যবহার করবেন।
৮ জাতীয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন বা এর পক্ষে অভিযোগ দায়েরের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।
ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তা কোথায় ও কিভাবে অভিযোগ দায়ের করবেন?
১ মহাপরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর।
১. কাওরান বাজার (টিসিবি ভবন ৮ম তলা), ঢাকা।
২ প্রত্যেক জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
ফৌজদারী প্রতিকারের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তা তার নিজ জেলায় প্রথম শ্রেণীর একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে বা এ ব্যাপারে নিযুক্ত কোন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন করে প্রতিকার চাইতে পারেন। অভিযোগে তিনি কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ও কী প্রতিকার চান তার সুষ্পষ্ট বিবরন থাকতে হবে।
দেওয়ানী প্রতিকারের ক্ষেত্রে ভোক্তা যুগ্ম জেলা জজের আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
অভিযোগ দায়েরের সময় সীমা:
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ঘটনার তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন। উক্ত সময় সীমা অতিক্রম করলে অভিযোগটি তামাদি বলে গন্য হবে।

(ঙ) অপরাধ পুন: সংঘটনের দন্ড:
উক্ত অপরাধ সমুহ দন্ডিত ব্যক্তি পুনরায় একই অপরাধ করলে তিনি সর্বোচ্চ দন্ডের দ্বিগুন দন্ডে দন্ডিত হবেন।
বি: দ্র: উক্ত দন্ড ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদেয়। বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ড হতে পারে।
অভিযোগে ফৌজদারি প্রতিকার:
১ ভোক্তা অধিকার বিরোধী অপরাধ সমুহ প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্জ।
২ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর উচ্চতর শাস্তি বিধান কল্পে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট বিশেষ ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করতে পারবে।
৩ অভিযোগকারী ফৌজদারী মামলা সরাসরি দায়ের করতে পারবেন না।
৪ অভিযোগ দায়ের হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ফৌজদারী মামলা দায়েরের লক্ষে অভিযোগপত্র ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা বিশেষ ট্রাইবুনালে দাখিল করতে হবে।
৪ বিচারে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড প্রদানসহ মালামাল বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।
৫ অভিযোগকারী জরিমানার ২৫ শতাংশ তাৎক্ষণনিকভাবে প্রাপ্য হবেন।
দেওয়ানি প্রতিকার:
কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজধারী কার্যক্রম সুচিত হওয়ার কিংবা ঐ ব্যক্তি অনুরুপ কার্যের জন্য ফৌজধারী অপরাধে দন্ডিত হওয়ার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ কোন ভোক্তা ঐ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আর্থিক মুল্যে নিরুপন যোগ্য ও নিরুপিত ক্ষতির পাচগুন পরিমান আর্থিক ক্ষতিপুরন দাবি করে স্থানীয় অধিক্ষেত্রের যুগ্ম জেলা জজের আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করতে পারবেন।
প্রশাসনিক প্রতিকার:
১ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা সমীচিন মনে করলে ফৌজধারী মামলা দায়েরের পরিবর্তে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় শুধু জরিমানা আরোপ, ব্যবসার লাইসেন্স বাতিল বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সাময়িক বা স্থায়ীভাবে স্থগিত করতে পারবেন।
২ প্রশাসনিক ব্যবস্থায় আরোপিত বা আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ অভিযোগকারি তাৎক্ষনিকভাবে প্রাপ্য হবেন।
ফৌজধারি আপিল:
সংক্ষুদ্ধ পক্ষ আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে স্থানীয় অধিক্ষেত্রের সেশন জজের আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
দেওয়ানি আপিল:
যুগ্ম জেলা জজের আদালতে রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে কেবল হাই কোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাবে।
রিট পিটিশন:
প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করা যাবে।

12544 +

Complete Project

5400 +

Running Project

89774 +

Upcoming Project

98 %

Satisfied Qualification